কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১৬ মে, ২০২০

মেঘের আড়ালে মুখ ঢাকে


বৃষ্টির সাথে আমার সখ্যতা দেখে
ঈর্ষানিত হয় রাতের তাঁরা
টিপটিপ বৃষ্টির ঝড়াঝড়া দেখে
রাতের তাঁরাগুলি ঈর্ষায় জ্বলেপুড়ে
মেঘের আড়ালে মুখ ঢাকে।

শ্রাবণের রাতে ভাসাডুবা প্লাবনে
আমার দুখের স্নান দেখে
তাঁরারা মিটিমিটি হাসে।

বৃষ্টির কানে কানে বলে আড়ালে
আমায় কেন এতো ভালবাসে?
একফালি মেঘ এসে ঢেকে দেয় তাঁরাদের
বৃষ্টি ঝড়িয়ে আমায় ভিজিয়ে দেয় ভালবেসে।

বুধবার, ১৩ মে, ২০২০

আজ অমানুষের কবি'তে হোক পরিণয়

অমানুষের কবি


ভয়ে থেমে যাক, প্রতিবাদী কাব্য সৃজন
থমকে যাক, প্রতিবাদী ভাষার উচ্চারণ।
পথ ভুলা হোক সাহসী, বীরপুরুষের দল
উজ্জীবিত হোক, মাথানত কাপুরুষের বল।

কারার ভয়ে কলম, লিখনি কাপেঁ থরতর
জেল জুলুম হুলিয়া, ভড়িয়া উঠিল জড়সড়।
মুক্তি পাক, শান্তি পাক শতশত অপরাধির দল
অপরাধ মুক্তি পাক, নিপাক যাক প্রতিবাদীর দল।

কালা কানুন কলমের নয়, চোরের পক্ষে কথা কয়
চোরেরা যেন চোর নয়, সাধু বেসে সাধু সেজে রয়।
লিখনির জোরে চোরের সাজা যদি রুপকথার গল্প হয়
কবিও কলিকালের রুপকথার কাব্য রচনায় পাবে ভয়।

কালা কানুনের ভয়ে, গড়েছে কবির মনে বিস্বাদ সিন্ধু
কলম কবির শত্রু, প্রতিবাদী ভুলা নিরবতা বিশাল বন্ধু।
গনমানুষের কবি আজ, অমানুষের কবিতে হোক পরিণয়
ভয়ে ভয়ে শুধু ভয়ে, হোকনা তবু ঐ কালাকানুনের জয়।

মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২০

সুরঞ্জনা সোনার খাঁচায় বন্দি



আরেকটা কবিতা লিখবো তোমায় নিয়ে, না সে কবিতায় তুমি থাকবেনা
থাকবে তোমার বদলে তোমার নামের, তোমার শূন্যস্থান পূরণে অন্য কেউ।
আরেকবার তোমার প্রেমে পড়বো আমি, না সে প্রেমের নাইকা তুমি নও
তোমার মতো দেখতে হয়তো, তবে তোমার মতো প্রতারক কেউ নয়।

আরেকবার জীবন গড়বো আমি, না তোমার ভালবাসার মায়ায় নয়
তোমার মতো অন্য কেউ হয়তো, তবে তোমার অতো অমানুষ নয়।
আরেকবার করবো তোমায় সুরঞ্জনা সোনায় খাচায় বন্দি, তবে তুমি নও
আরেকবার ভাঙ্গবে তুমি আমার সেই ভাঙ্গা নীড়, না সেও তুমি নও।

আরেকবার আমি স্বপ্নের পিঠে বয়ে নিয়ে আসা দুঃস্বপ্নের ফাদে পড়বো
আরেকবার আমি ঘুরেফিরে আবার নতুন করে তোমার প্রেমেই পড়বো।
কল্পনায় এমন দিন গুনেগুনে কেটে গেছে পনেরটি বছর, একযুগের উপর
যাকনা জীবন এভাবেই কেটে তুমি বিহীন একলা দহনে, পরজনমের পর।

ভালবাসি সুরঞ্জনা আজো ভালবাসি যতোদিন হয়না, তোমার জানা
আমি অন্ধের মতো ভালবেসে যাবো ভয় না করে, পরজনমের দহনেহানা।
স্বর্গের মায়া ছাড়া প্রেমিক মাতাল আমি, নরকের কি ডর ভয় পাই
তোমার মায়ায় কাটবে জীবন মরণ, পাবেনা নতুন করে কেউ ঠাই।

রবিবার, ১০ মে, ২০২০

অমানুষের কবি'র মৃত্যুতে


অমানুষের কবি'র মৃত্যুতে

একদিন আমিও মানুষ ছিলাম, ছিল মানুষের মতো জীবন স্বপ্নময়
একদিন আমিও প্রেমিক ছিলাম, ছিল প্রেমিকাকে হারাবার ভয়।

একদিন আমিও পথিক ছিলাম, স্বপ্নের মতো জীবন গড়ার পথে
একদিন আমিও বৃষ্টিকে ভালবেসে ছিলাম, কোন এক মেঘ কালো রাতে।

একদিন আমিও মায়ের লক্ষি ছেলে ছিলাম, টাকার নেষায় মেতে
একদিন আমিও সমাজের ছিলাম, সমাজের দ্বায়বদ্ধতা থেকে।

আজ আমি অন্য মানুষ, অন্য কোন পথের, অন্য কোন নদীর ঘাটে
অন্য ভাবেই কাটছে জীবন, জীবনের শেষ হিসেব নিকেশ কষে।

বেচে আছি মরবো বলে, মরার তরে, জীবনের শেষ মোহনায়
অমানুষের কবি'র মৃত্যুতে কে আছে কাদার ছলে করে হায়হায়।

থেমে থাক অমানুষের কবি

থেমে থাক অমানুষের কবি


ছোট লোকের ঘরে জন্ম আমার, বড়লোকের মতো ছোটলোকি মন তাই
বড়লোক ছোটলোকের লক্ষ্য একটাই, কারিকারি টাকা কামাই।

বড়লোক ছোটলোক ভাই ভাই, যে ভাবেই হোক টাকা চাই
সম্মান বাড়লো না কমলো কি দেখি, তাতে খেতা পুড়া ছাই।

না আর হবেনা, এখানেই থেমে থাক অমানুষের কবি.....

আমি যে অমানুষের কবি


থেমে থাক অমানুষের কবি


ঐ পথশিশু তোদের চোখে কান্নার জল দেখে আমার পৌষাশিক আনন্দ জাগে
আমি যে অমানুষের কবি।
হে প্রিয়া তোমার চোখের জন আমার কাছে হেয়ালি লাগে
আমি যে অমানুষের কবি।

পথের শিশু দুইটা টাকা দেন যখন খুজে, আমার মাঝে তখনি পশুত্ব জাগে
আমি যে অমানুষের কবি।
কান দুইটা মলে দিয়ে কাজ করে খা বলে আমার হৃদয় মহামানবী সাজে
আমি যে অমানুষের কবি।

খাদ্য বস্ত শিক্ষা চিকিৎসার দাবীতে যখন গণমানুষ জাগে, আমার কাছে ওদেরকে বেকুবের দল লাগে
আমি যে অমানুষের কবি।
অধিকার চাই অধিকার চাই আর্থনাদ করা ওরা আমার মনে হয় যেন এই ফরলো ফাদে
আমি যে অমানুষের কবি।

মায়ের চিল্লান আর কতো কাল খাবি আমার ঘারের উপড় পরে, এ যেন মিষ্টি কাব্যের সুন্দর কথা মালা ঝরে
আমি যে অমানুষের কবি।
ভাবি দুইটা টাকা কামাই করে দিতে পারলে যেন মায়ের পরাণ যাবে ভরে
আমি যে অমানুষের কবি।

আমি অমানুষের কবি

থেমে থাক অমানুষের কবি


আমি অমানুষের কবি
মায়ের ডাকে ঘুম ভেঙ্গে দুপুর দুইটা বাজে শুনি।
আমি অমানুষের কবি
রাত জেগে ফুটপাথে ঘুমিয়ে থাকা অমানুষদের গুনি।

আমি অমানুষের কবি
মানুষের মাঝে অমানুষ খুঁজে তাদের নিয়ে নতুন কাব্য বুনি
আমি অমানুষের কবি
পশুর মাঝে মানুষের মহানগুণ মনুষ্যত্বই আমার কাব্য লেখার পুজি।

আমি অমানুষের কবি
অমানুষের নিয়ে লিখবোনা আর, পণ করেও লিখে ফেলে দুই কলম রোজই।
আমি অমানুষের কবি
গণমানুষের মানুষের কথা না ভেবে, অমানুষের কথা ভাবি।

আমি যে অমানুষের কবি......

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০

পেরেছ কি তুমি কাদিতে?



এক চিলতে বৃষ্টি ঝরেছিল আজ, আমার দুচোখে
কিন্তু মেঘ জমা ছিলনা বিন্দুমাত্র, মনের আকাশে।
আজ ফাগুনের আগুন পুড়িয়েছিল মন, খুব গোপনে
কিন্তু তখন বৃষ্টি ঝরেনি চোখে, সে আগুন নেভাতে।

না আর কবিতা লিখবোনা, তোমার বিরহের যাতনায়
তুমি তো কবির প্রেমে পরনি, পরেছিলে কবিতার।
কবিতা আমার সৃষ্টি, তাই করে ছিলে আরাধনা আমার
আমি তো ভেবে ছিলাম, এ যেন কবির জীবনে এলো প্রেমের জোয়ার।

প্রাণহীন মৃতদেহ লুঠায়ে পরিলে একদিন মাটিতে
শুয়ায়ে রাখিবে যখন লোকে শিতল পাটিতে।
হয় তো আসিবে সেদিন তুমি শেষ দেখা দেখিতে
অথচ আমি জানবোনা পেরেছ কি তুমি কাদিতে?

বুধবার, ২৪ জুলাই, ২০১৯

জেগে ওঠো বন্ধু সময়ের জোয়ারে


জেগে ওঠো বন্ধু সময়ের জোয়ারে
দাঁড়িয়ে জাগরণ তোমার মনের দুয়ারে
তুমি জাগলেই জাগবে দেশ ও জাতী
নিমিষেই ফুরাবে নিকষ কালো তিমির রাতি।

মেঘ দেখে আকাশে ভয় তুমি পেওনা
পেছনে কেউ নেই ভেবে ভীতু তুমি হয়না
তোমার সাহসী চিৎকারে থমকে যাবে অন্যায় অবিচার
পেছনে তাকিয়ে দেখ ষোল কোটি অনুসারী তোমার।

পাহাড়ের উচ্চতা দেখে ভয় তুমি পেওয়া
ষোল কোটি মানুষ তোমার সাহসের পেরনা
তুমি মাথা উচু করে দাড়ালে নিচু হবে সব ক্ষমতাধর
তোমার পাজরে জুরে যাবে ষোল কোটি নাগরিকের পাজর।

সাগরের বিশালতার গর্জনে কেঁপে তুমি উঠো না
নিজের অর্জিত আত্নবিশ্বাসে দুর্বল তুমি হওয়া
তুমি গর্জে উঠলে গর্জে উঠবে ষোল কোটি জনতা
তোমার ভাগ্য রেখায় ষোল কোটির ভাগ্যের সমতা।


পণ করেও আমার লিখনিকে থামাতে পারিনা। আমি তো আর লিখতে চাইনা। তবুও কেন লেখা ঘুরপাক খায় আমার মনের মাঝে। তবে কি আমার জন্মের এক বছর পরে মায়ের নেওয়া পরিক্ষায় কলম তুলে নিয়ে ছিলাম লেখালেখিটাকে ছাড়তে পারছি? না না আমি আর লিখতে চাইনা। লেখালেখি আমার মতো মুর্খের কাজ। লেখালেখিত শিক্ষিতদের কাজ। আমি তো গণ্ডমূর্খ।

মঙ্গলবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৮

তুমি অমূল্য কবিতা

কবিতা তুমি সস্তা কলমের কয়েক ফোটা কালিতে
সস্তা দামের সাদা কাগজে অপেশাদার পদবিহীন কবির সৃষ্টি।
তাই বলে তুমি সস্তা নও কবিতা তোমার সৃষ্টিকর্তার কাছে।
তাই বলে যে তুমি খুব দামি তোমার সৃষ্টিকর্তার কাছে, তাও নও কবিতা।
তুমি তোমার সৃষ্টিকর্তার কাছে এক অমূল্য সম্পদ।
তোমার সৃষ্টিকর্তা অপেশাদার পদবিহীন কবি বলে।
তোমার সৃষ্টিকর্তা যদি পেশাদার পদওয়ালা কবি হতো
তবে তোমায় কবেই বেচে দিত কোন একটা মূল্য আদায় করে।
তুমি গর্বিত কবিতা কোন এক অপেশাদার পদবিহীন কবির সৃষ্টি বলে।
সে সৃষ্টি বিক্রি করে আহার কিংবা বিলাসীতা করেনা বলে।
তুমি অমূল্য কবিতা কোন অপেশাদার পদবিহীন কবির সৃষ্টি বলে।

কলঙ্কিনী তুমি রাঁধে আমি কৃষ্ণ কালা


পূর্ণিমার চাঁদের মতো কলঙ্কিনী তুমি রাঁধে আমি কৃষ্ণ কালা
তোমার আমার মিলন হলে রাঁধে মিটতো মনের জ্বালা
ও রাঁধে একলা কি আর কাটতো আমার এমনি এ বেলা...

রাঁধে গো  আকাশ কালো হলে পরে বৃষ্টি অঝর ঝড়ে
কালো মেঘ না জমিলে, বৃষ্টি কি আর ঝড়ে?
বলো রাঁধে বৃষ্টি কি আর ঝড়ে

আমি কালো বলে যদি করতে না আর হেলা
ও রাঁধে একলা কি আর কাটতো আমার এমনি এ বেলা...

বাঁধে গো লাল গোলাপ সাদা গোলাপ পেতে পারো সব বাগিচায় ধরে
কালো গোলাপ পাবে কি আর সেতো সব বাগিচায় নাহি  ধরে?
বলো রাঁধে সব বাগিচায় কি আর ধরে?

আমি কালো বলে যদি হতনা তোমার মনো জ্বালা
ও রাঁধে একলা কি আর কাটতো আমার এমনি এ বেলা...

সোমবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৮

আমার বাপে ভাষা সৈনিক, চাচা মুক্তি যোদ্ধারে ভাই


আমার বাপে ভাষা সৈনিক, চাচা মুক্তি যোদ্ধারে ভাই
ফেব্রুয়ারি, মার্চ, ডিসেম্বরে কত শত কদর পাই।
গলা বরে ফুলের মালায়, কতো ফুল যে হায়রে হায়র
ফেব্রুয়ারি, মার্চ, ডিসেম্বরে আমার গর্বে বুকটা ফাইট্টা যায়।

আমার বাপে ভাষা সৈনিক, আমার গর্ব আর বড়াই
আমার পুলারে কিন্তু আমি ইংলিশ মিডিয়ামেই পড়াই।
অহন কউ দেহি ভাই, কউ দেহি  আমার কি আর দোষ থাকে হায়
পুলায় যদি ইংরেজিতে ইংল্যান্ডেরই স্কলারশীপ পায়।

আমার চাচা মুক্তি যোদ্ধা তাই সরকারী ভাতা পায়
ভাতার টেকায় কোন রকম বুড়া বুড়ি চইল্লা যায়।
পুলায় তাহার বউ নিয়া আলগা ঘরে, আলগা খায়
সরকারী একটা চাকুরি পাইছে মুক্তিযোদ্ধা কোটায়।

মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭

বাহুতে বল বাড়াতে আমরা করি কতোইনা কৌশল



আমরাই তো দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল
বাহুতে বল বাড়াতে আমরা করি কতোইনা কৌশল।

সময় এলে যাদের মোরা করি গুরুদান
সময় গেলে তাদের আবার করি বদনাম।

অনুকাব্য


হোকনা দিনটা আবার রাত
কতোই বা দূর নতুন প্রভাত?
হোকনা রাতটা আবার প্রভাত
কতোই বা দূর নতুন চাঁদ?

সোমবার, ৬ মার্চ, ২০১৭

বসন্ত এসে গেছে, বসন্ত এসে গেছে...

এই তো কিছুক্ষন আগে কুকিল ডেকেছে। মনে করিয়ে দিয়েছে বসন্ত দোয়ারে দাঁড়িয়ে। শুধু একটি নতুন সূর্যের অপেক্ষায় প্রতিটি বাঙ্গালির প্রাণ মন অন্তর।

শীতের এই বিদায় বেলা কিছুটা ব্যদনা মনে জমা হলেও তা কেটে যায় বসন্তের আগমনে। বাংলার ছয় ঋতুর রাজা ঋতুরাজ বসন্ত। এই বসন্ত নিয়ে কতো শত কবি রচনা করেছেন কতো শত কাব্যমালা। এই বসন্ত এলে এখনো কতো শত কবিতার জন্ম হয়।

রবিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০১৭

মনান্ধ তুমি


আমি আধারী, আলেয়ায় বসবাস
আশার মৃত্যুতে, আশাহীন নিরাশ।
আধারের পাখির গান শুনা হয়
হয়না কভু দেখা, সে পাখি।
না আমি অন্ধ নই, ঠিক আছি, ঠিক আছে আমার আখি।

বুধবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০১৭

আমারেও নিয়া যারে তুই দে তোর বুকে আমাদের নতুন আবাস

মাদানে মায় কইলো খোকা আমার ভুর করে আয় ভাত নিতাছি থালে
মুখে তুলে খাইয়ে দিমু লক্ষি খোকা বলে।
কপালের ঐ কোনে নজর টিপ দিমু কেউর নজর পরেনা বলে
তোর বাপে তোরে কইছে আজ হাটে নিবো বৈকালে।
বান্দরের মতো নাইচ্ছা নাইচ্ছা নাইতে গেলাম পুসকুনিতে
আয়া দেখি মায় আমার পইরা আছে মাটিতে।

বুধবার, ৪ জানুয়ারী, ২০১৭

একুশত পয়ত্রিশ দিন

তোর বুকের পাজরে যদি আগলে রাখতি আমায়
তবে আর আজ লোকে আমাকে পাগল বলতোনা।
আমাকে নিয়ে উপহাস করতোনা, করতোনা টিটকারী।

রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

সৃজনে রক্ত চাও মাগো আমার


হে মাতৃভূমি মা পায়নি তোমার সন্তানরা
লাল রক্ত আর ত্বিক নোনা জলের দাম।
যারা দাম দেবে, তারা আজ অভিনেতা, মা সুনিপুণ অভিনেতা
ক্ষমতার বড়াই, আর ক্ষমতার লড়াই, আর দেশ প্রেমের অভিনয়ে ব্যস্ত ওরা।
দেখেনা মা তারা তোমার সন্তানদের খিদার জ্বালার আর্তনাদ
দেখেনা তারা বস্ত্রহীন পৌষের রাতের থরথর কাপন
দেখেনা তারা ফুটপাতে লুটোপুটো হয়ে ঘুমিয়ে থাকা তোমার শিশু সন্তানের কষ্টার্থ জীবন।
ওরা পাষাণ মা পাষাণ, অতিতের হিংস্রদের সমমান
সুযোগ পেলেই ছুরি চালাবে মা তোমার পেট, বুক কিংবা পিঠে
তবুও নিজেদেরকে দাবী করে মা তোমার শ্রেষ্ট সন্তান, ওরা অভিনেতা মা সুনিপুণ অভিনেতা

কোন দিকে যাবিরে তুই ও আমার প্রেমিক মাতাল মন


উত্তরে ঢোল তবলা আর বাঁশীর সুরে লালন ও হাসন
দক্ষিনেতে ভক্তগনের রাধাকৃষ্ণের গুণ কীর্তন
পশ্চিমেতে জিকির মাহফিল আর তবারকের আয়োজন
প্রেমিক মাতাল বুঝিতে পায়না কোন দিকে তার মন
পুবেতে ধোয়া ধোয়া কুয়াশা মাখা নিরব অচেতন
কোন দিকে যাবিরে তুই ও আমার প্রেমিক মাতাল মন?